SakhipurSangbad.Com

Latest Post


 সখীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু 

সখীপুর প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (রাত ৮টা) উপজেলার তক্তারচালা এলাকায় সখীপুর-গোড়াই সড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।


নিহতরা হলেন মোজাম্মেল হোসেন (১৬) ও ইয়ানুর (১৭)। আহত মাহির হাসান (১৭)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।


জানা গেছে, নিহত মোজাম্মেল উপজেলার হাতিবান্ধা উত্তরপাড়া এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে এবং ইয়ানুর হাতিবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য শিউলী বেগমের ছেলে। তারা দুজনই স্থানীয় খোশবাহার উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে তিন বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে তক্তারচালা বাজারে যাচ্ছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোজাম্মেল নিহত হয় এবং ইয়ানুর ও মাহির গুরুতর আহত হয়।


স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকার উত্তরা এলাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইয়ানুর মারা যায়।


সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন জানান, নিহত এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । 


 সখীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত 


সখীপুর প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নাইম নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে।


গত বুধবার  রাত ৮টার দিকে ঢাকার উত্তরা জেনারেল হাসপাতালে দুইদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে নাইম।

নাইম সখীপুর উপজেলার কীর্ত্তনখোলা এলাকার লেবু মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয়  কেজিকে উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী।


পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ সকালে বন্ধু রাব্বির সঙ্গে মোটরসাইকেলে তেল আনতে বের হয় নাইম।

ফেরার পথে কাউচি চালা এলাকায় তারা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

নাঈমের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। 

 সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু: ছেলে পলাতক


সখীপুর প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী মুক্তা বেগমের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় ছেলে মোরাদ হোসেন পলাতক থাকায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

নিহত মুক্তা বেগমের স্বামী আলহাজ্ব মিয়া দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। জানা যায়, এই দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক কলহ চলছিল, যা ধীরে ধীরে একটি অশান্ত জীবনে রূপ নিয়েছিল।

ঘটনার দিন সকালে ছেলে মোরাদ তার ছোট বোনকে নিয়ে নানীর বাড়িতে চলে যায়। এরপর থেকেই শুরু হয় উদ্বেগ। কিছুক্ষণ পরই নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখতে পান—এক কোণে পড়ে আছে মুক্তা বেগমের নিথর দেহ।

মায়ের এমন পরিণতি যেন মেনে নিতে পারছে না কেউই। ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে, কারণ এরপর থেকেই ছেলে মোরাদ পলাতক। পরিবারের ধারণা, এই ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

অন্যদিকে, নিহতের বাবার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ—মুক্তা বেগমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের দাবি, এর পেছনে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জড়িত।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। যেহেতু ছেলে  পলাতক, ধারণা করা হচ্ছে ছেলেই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


 সখীপুরে পেট্রোল আনতে গিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

সখীপুর সংবাদ প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেলের পেট্রোল আনতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় রিদুয়ান ইসলাম (১৭) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোরে উপজেলার প্রতিমা বংকী কামিল মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে ঢাকা-সখীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে মোটরসাইকেলসহ পড়েছিল তাঁর লাশ।


নিহত রিদুয়ান পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হুমায়ুন মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হিফজ্ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।


নিহতের স্বজন আব্দুল্লাহ আল কাফী বলেন, রিদুয়ান তাঁর বাবার মোটরসাইকেলে পেট্রল ভরার জন্য সখীপুর থেকে বোয়ালী বাজারের সখীপুর ফিলিং স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো ভারী যানবাহন তাঁকে চাপা দিয়ে পালিয়ে গেছে। স্থানীয়রা রিদুয়ানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা কাজী মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তরুণের মৃত্যু হয়েছে।


থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেন, মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।



 শোক সংবাদ 


শামসুল আলম (অব.পুলিশ) শুক্রবার রাত সাড়ে বারটায় ইহলোক ত্যাগ করেছেন(ইন্না-লিল্লাহ--রাজিউন)। তিনি সাবেক ফুটবলার খেলোয়াড় এবং খেলা প্রেমিক একজন মানুষ ছিলেন। তিনি একজন শিক্ষানুরাগী ও সমাজ হিতৈষী মানুষ  ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তিনি দুই ছেলে,দুই মেয়ে, স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। 

শনিবার বাদ যোহর উপজেলার আড়াইপাড়ার এসডিএস মাঠে তাঁর জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী উপস্থিত ছিলেন। 

জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়


 সখীপুরে জ্বালানি মজুদ কেলেঙ্কারি: মোবাইল কোর্টে ২ প্রতিষ্ঠান মালিকের কারাদণ্ড, উদ্ধার ৫১৮০ লিটার জ্বালানি

সখীপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি:

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৫১৮০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই প্রতিষ্ঠান মালিককে পৃথক আইনে ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।


বুধবার (২৫ মার্চ ২০২৬) অপরাহ্নে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পুলিশ  ও প্রসিকিউশন কর্মকর্তা এবং মেঘনা ডিপোর প্রতিনিধিকে সঙ্গে নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধারকৃত জ্বালানির মধ্যে ৩৫১৬ লিটার ডিজেল ও ১৬৬৪ লিটার পেট্রোল রয়েছে।


অভিযান সূত্রে জানা যায়, ২৪ মার্চ দিবাগত রাতে পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশনের অনুকূলে ৪৫০০ লিটার পেট্রোল ও ৪৫০০ লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়। যা পরদিন সরকার নির্ধারিত মূল্যে ফিলিং স্টেশন থেকেই বিক্রির কথা ছিল। তবে প্রতিষ্ঠানটির মা‌লিক আ‌তিকুর রহমান তা না করে অবৈধভাবে অন্যত্র মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে।


তদন্তে আরও জানা যায়, পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ মেসার্স জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজকে জ্বালানি মজুদে সহায়তা করে। মালিকের স্বীকারোক্তি, ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য এবং উদ্ধারকৃত জ্বালানি থেকে এর প্রমাণ মেলে। এছাড়া ১৫০ জনেরও বেশি ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছে।


এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী পূর্বদেশ ফিলিং স্টেশনের মালিক আ‌তিকুর রহমান‌কে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে লাইসেন্সবিহীন মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অধিক মূল্যে বিক্রির অভিযোগে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহাঙ্গীর আলম‌কেও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


এদিকে উদ্ধারকৃত ৫১৮০ লিটার জ্বালানি স্পট নিলামের মাধ্যমে সখীপুরের বোয়ালী এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সরকার নির্ধারিত মূল্যে তা বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ডিপোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি জ্বালানির পরিমাণ নির্ধারণ, মূল্য নিরূপণ ও নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন করে। বিক্রির অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্যও কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম‌্যমাণ আদাল‌তের নির্বাহী ম‌্যা‌জি‌স্ট্রেট ও সহকারী ক‌মিশনার (ভূ‌মি) শামসুন নাহার শিলা জানান,


এ ঘটনায় জড়িত প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সখীপুর থানার ও‌সি হেলাল ঊ‌দ্দিন পি‌পিএম জানান, সাজাপ্রাপ্ত ওই দুই আসামী‌কে বুধবার রা‌তেই টাঙ্গাইল আদাল‌তে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে।


 সখীপুরে এক রাতে ৩ বাড়িতে ৬ গরু চুরি

এলাকায় আতঙ্ক 


সংবাদ প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকায় এক রাতে তিনটি অসহায় পরিবারের শেষ সম্বল ৬টি গরু চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তিনটি পরিবারই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে বিধবা মজিরন বেগমের গোয়ালঘর থেকে একটি গাভী ও একটি ষাঁড়সহ ২টি গরু, একই গ্রামের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শাকিল মিয়ার ২টি এবং কিডনি রোগী জয়নাল আবেদীনের গোয়ালঘর থেকে আরও ২টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। রাতের আঁধারে গোয়ালঘরের তালা কেটে পরিকল্পিতভাবে গরুগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিধবা মজিরন বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, গরু দুটিই ছিল তার সংসারের একমাত্র ভরসা। আনুমানিক প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের গরু হারিয়ে তিনি এখন দিশেহারা। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শাকিল মিয়া বলেন, প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা জমিয়ে কষ্ট করে গরু কিনেছিলেন তিনি। এক রাতেই সব হারিয়ে এখন তিনি নিঃস্ব।

অন্যদিকে কিডনি রোগে আক্রান্ত জয়নাল আবেদীন জানান, গরুর দুধ বিক্রি করে নিজের চিকিৎসার খরচ চালাতেন। চুরির ঘটনায় তার জীবিকার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে চুরি হতে থাকলে এলাকার মানুষ গবাদিপশু পালন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।

ঘটনার পর থেকে এলাকাবাসীর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget