SakhipurSangbad.Com

Latest Post


নিজস্ব প্রতিবেদক:

টাঙ্গাইল-৮ (সখিপুর-বাসাইল) আসনের চার চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত শওকত মোমেন শাহজাহান মা এবং সাবেক এমপি অনুপম শাহজাহান জয়ের দাদি আখতার জাহান স্ট্রোকজনিত কারণে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর।

​তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। সাবেক এমপি প্রয়াত শওকত মোমেন শাজাহানের বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

​শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মন্ত্রী মরহুমার বিদেহ আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় মন্ত্রী বলেন, "মরহুমা আখতার জাহান একজন রত্নগর্ভা নারী ছিলেন।


​পরিবার সূত্রে জানা গেছে,আখতার জাহান বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত রাত ১০.৩০ স্টোকজনিত কারণে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।স্কয়ার হাসপাতালে সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরহুমার মরদেহ তাঁর নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের সখীপুর নিয়ে আসা হয়েছে। মরহুমার নামাজে জানাজা আজ শনিবার বিকেল পাঁচটায় সূর্যতরুণ শিক্ষাঙ্গন স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

​মরহুমার মৃত্যুতে স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।


 সখীপুরে ৩ বছরের শিশুকে হত্যা করল এক পাষন্ড মা


নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাড়ে ৩ বছরের শিশু আশরাফুলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আকলিমা(৩৫) বেগম নামের এক পাষন্ড মায়ের বিরুদ্ধে। এসময় অভিযুক্ত আকলিমা  সিদরাতুল(৮) নামে তাঁর আরেক শিশুকে কুপিয়ে  গুরুতর আহত করেন।



বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার খালিয়ার বাইদ (মুজিবনগর মোড়) এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।



নিহত আশরাফুলের বয়স প্রায় সাড়ে ৩ বছর। আহত সিদরাতুল আকলিমা বেগমের আগের স্বামীর ঘরের মেয়ে। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ আকলিমা বেগমকে হেফাজতে নেয়।



স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শাহীন মিয়া প্রায় ৩০ বছর আগে প্রথম বিয়ে করেন। ওই সংসারে কোনো সন্তান না থাকায় পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রীর সহযোগিতায় আকলিমা নামের এক স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাকে সিদরাতুল নামের এক বাচ্চাসহ বিয়ে করে ঘরে তুলে আনেন। দ্বিতীয় স্ত্রী আকলিমা বেগম সিদরাতুল নামে এক মেয়েকে নিয়ে স্বামীর ঘর করতে থাকেন। এরপর আকলিমার ঘরে জন্ম নেয়  আশরাফুল নামের আরেক এক ফুটফুটে শিশু।



তবে আকলিমা বেগম বেশিরভাগ সময় ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করায় বাড়িতে থাকতেন না। এ কারণে আশরাফুলকে শাহীন মিয়ার প্রথম স্ত্রী(নাসিমা) যাকে শিশুটি ‘বড়মা’ বলে ডাকত, লালন-পালন করতেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আশরাফুল নিজের মাকেও ‘আন্টি’ বলে ডাকত।



স্থানীয় কয়েকজন জানান, শিশুটি নিজের মাকে ‘আন্টি’ বলে ডাকায় আকলিমা বেগমের মনে ক্ষোভ বা অভিমান তৈরি হয়ে থাকতে পারে। সেই ক্ষোভ থেকেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন।



 তবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক কলহ ছিল না। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।



ঘটনার বিষয়ে শাহীন মিয়া বলেন, “প্রায় ৩০ বছর পর আল্লাহ আমাকে একটি পুত্রসন্তান দান করেছিলেন। সেই সন্তানকে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। এটা আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। শুধু আমার সন্তানই নয়, আকলিমার আগের স্বামীর ঘরের মেয়ে সিদরাতুলকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”



ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মাত্র সাড়ে ৩ বছরের শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।



এ বিষয়ে জানতে চাইলে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল সখীপুর ও ভালুকা থানার মধ্যবর্তী এলাকায়। ঘটনার পর শিশুটিকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল, তার লাশ ওখানেই রয়েছে। এদিকে নিরাপত্তা ও চিকিৎসার স্বার্থে শিশুটির মাকে সখীপুর থানা-পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।



 বাবার অপেক্ষায় সাত মাসের যমজ, সৌদি থেকে নাছির ফিরলেন নিথর দেহে


সখীপুর প্রতিবেদক: সাত মাস বয়সী যমজ সন্তান আদনান ও নুসাইবা। জন্মের পর বাবাকে তারা দেখেছে শুধু মোবাইল ফোনের পর্দায়। দেশে ফিরে সন্তানদের কোলে নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন বাবা নাছির হোসেন (২৫)। তবে সেই অপেক্ষা আর শেষ হলো না। সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাছির ফিরেছেন নিথর দেহ হয়ে।


নাছির টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কুতুবপুর আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা। গত ৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে সৌদি আরবে সড়ক নির্মাণকাজের সময় রোড রোলারের চাপায় তার মৃত্যু হয়।


পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান নাছির। পরিবারের সচ্ছলতার আশায় প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন তিনি। কয়েক মাস আগে ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফিরে যান। এরপর তার স্ত্রী আছিয়া খাতুনের ঘরে জন্ম নেয় যমজ সন্তান—একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। সন্তানদের জন্মের সময় নাছির সৌদি আরবে থাকায় সরাসরি তাদের দেখার সুযোগ হয়নি।


স্বজনরা জানান, নিয়মিত ভিডিও কলে স্ত্রী ও সন্তানদের খোঁজ নিতেন নাছির। মোবাইল ফোনের পর্দায় সন্তানদের দেখে আনন্দিত হলেও তাদের কোলে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা ছিল তার। দেশে ফিরে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনা সেই স্বপ্নের ইতি টেনে দেয়।


নাছিরের বাবা শফিকুল ইসলাম স্থানীয় বাজারে একটি চায়ের দোকান চালান। ছয় বছর আগে অনেক কষ্টে ধারদেনা করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন নাছির। তার আয় দিয়েই চলত পরিবারের খরচ।


কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে নাছিরের বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমার একমাত্র সন্তানকে নিজের হাতে দাফন করে গেলাম। আজ আমি একেবারে নিঃস্ব। অনেক কষ্ট করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম পরিবারের সুখের আশায়। কিন্তু সেই ছেলেকেই আজ লাশ হয়ে বাড়িতে ফিরতে হলো।”


পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাছিরের মরদেহ গতকাল (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়িতে পৌঁছায়। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর মা-বাবা, স্ত্রী ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। খবর পেয়ে স্থানীয়রাও নাছিরের বাড়িতে ছুটে আসেন।


পরে রাত ১১টার পর নাছিরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।


 সখীপুরে ঘুমন্ত নারীর কানের দুল চুরি! 

নিজস্ব সংবাদদাতা:


সখীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাহারতা এলাকায় গভীর রাতে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত নারীর কান থেকে এক জোড়া কানের দুল, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও একটি ব্রিফকেস চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চোরেরা তাদের পায়ের জুতা ঘটনা স্থলে ফেলে যায়।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ছামান মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।


ছামান মিয়ার স্ত্রী জানান, তিনি তার মেয়েকে নিয়ে খাটে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে হঠাৎ তার কানে টান অনুভব করলে তিনি ভয়ে চিৎকার করে ওঠেন। এ সময় দেখতে পান, দুই ব্যক্তি খাট থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। তিনি তাদের পিছু নিলেও ধরতে পারেননি। পালানোর সময় চোরেরা তাদের জুতা ফেলে যায়।


তিনি আরও জানান, বাইরে থেকে দরজার পাশে ছিদ্র করে চোরেরা দরজা খুলে ঘরে ঢুকেছিল। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় এক জোড়া কানের দুল, নগদ ১০ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্রিফকেস নিয়ে যায় চোরচক্র।


ঘটনার পর এলাকায় চোর আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ হোসেন জানান, এ বিষয়ে কেউ থানায় অবহিত করেনি। অবহিত করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


 বাসাইল হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে এসে এক নারীর মোবাইল ও ১০ হাজার টাকা চুরি


নিজস্ব প্রতিবেদক : 

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার দেখাতে এসে এক নারীর মোবাইল ও ১০ হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকিট কাউন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। 


এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী সাদিক খান বাসাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তিনি উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সেহরাইল গ্রামের বাসিন্দা। 



জানা গেছে, সাদিক খানের স্ত্রী বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার দেখানোর জন্য টিকিট কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়ান। এসময় ৪ থেকে ৫জন নারী তার সাথে কথোপকথন শুরু করেন। এক পর্যায়ে ওই নারীকে সামনের দিকে ধাক্কা দেওয়া হয়। এসময় কৌশলে ওই নারীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটি মোবাইল ও ১০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায় তারা। পরে তিনি ডাক্তারের কক্ষে গিয়ে বিষয়টি বুঝতে পারেন। এক পর্যায়ে তিনি কান্নাকাটি করে বাড়িতে ফিরে যান। এ ঘটনায় তার স্বামী সাদিক খান বাসাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। 



এদিকে, হাসপাতালে এত সিসি ক্যামেরা ও আনসার সদস্য থাকার পরও চুরির ঘটনা ঘটায় ভূক্তভোগী ও সচেতন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।


 জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬

লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম সখীপুরের ইশা 

সখীপুর প্রতিবেদক: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬-এর লোকগীতি বিভাগে সারা দেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছে টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী গ্রামের কৃতি সন্তান অনয়া সরকার ইশা(১০)


এ উপলক্ষে গতকাল১৫ জুলাই ঢাকার চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সনদ ও স্বর্ণপদক (গোল্ড মেডেল) গ্রহণ করে অনয়া। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে তার গলায় স্বর্ণপদক পরিয়ে দেন।


অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সহ দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 


অনয়ার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তার মা তুলি সরকার, বাবা শংকর সরকার এবং সংগীতগুরু বাবু অশোক কুমার বিশ্বাসের অক্লান্ত পরিশ্রম, উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা।


এ বিষয়ে অনয়ার বাবা শংকর সরকার বলেন, “আজকের এই অর্জন আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। ছোটবেলা থেকেই অনয়ার গান শেখার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। তার মা, সংগীতগুরু এবং শিক্ষকদের সহযোগিতা ও অনয়ার কঠোর পরিশ্রমের ফলেই সে জাতীয় পর্যায়ে এই সাফল্য অর্জন করেছে। আমরা সকলের কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করছি, যেন সে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করে দেশ ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।”


বর্তমানে বাবার চাকরির সুবাদে অনয়া কিশোরগঞ্জের গাইটাল আবদুল ওয়াহেদ জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। জন্মস্থান টাঙ্গাইল হলেও নিজের প্রতিভা, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।


অনয়া সরকার ইশার এ সাফল্যে বেড়বাড়ী গ্রাম, সখীপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল জেলা এবং সমগ্র এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। সকলের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও সে দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের লোকসংগীতকে আরও সমৃদ্ধ ও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরবে।


 সখীপুরে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার  অভিমানে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু


সখীপুর সংবাদ প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আব্দুল্লাহ (৭) নামে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বেড়বাড়ী টানপাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।


নিহত আব্দুল্লাহ ওই এলাকার প্রবাসী লাল মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় নবসৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।


পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে গেম খেলার জন্য আব্দুল্লাহ তার মায়ের কাছে মোবাইল ফোন চেয়েছিল। তবে তার মা মোবাইল ফোন দিতে অস্বীকৃতি জানান। এর কিছু সময় পর পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যায়, সে জানালার কাপড়ে প্যাঁচানো অবস্থায় রয়েছে। পরে ঘরের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় পরিবার, সহপাঠী, শিক্ষক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


নবসৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের প্রধান শিক্ষক রিফাত শারমিন রিতা আব্দুল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আব্দুল্লাহ খুবই মেধাবী ছাত্র ছিল। আজও সে নিয়মিত ক্লাস শেষে বাড়িতে গিয়েছিল। তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”


সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget